বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের “চিফ অফ সেফটি” পদ থেকে ক্যাপ্টেন এনামুল হক তালুকদারকে পাইলট লাইনে বদলি করায়, কর্মচারী,কর্মকর্তা, পাইলট,কেবিন ক্রু বা ফ্লাইটদের, মাঝে ও ফিরেছে স্বস্তি।

গতকাল সোমবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের লিমিটেড, মহা ব্যবস্থাপক প্রশাসক ও মানবসম্পদ উপসচিব, এ, বি, এম,রওশন কোবীর এর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান হয়।
ব্যারিস্টার জাকির হোসেইন ভূইয়া প্রেরিত এক নোটিশে দাবি করা হয় ক্যাপ্টেন এনামুল হক তালুকদার নামের বিমানের সিনিয়র ক্যাপ্টেন ও সেফটি বিভাগের প্রধান সাম্প্রতিক ইরান-ইসরায়েল সংঘাত চলাকালে, একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভিডিও বিমানের ককপিট থেকে ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল করেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন,চিফ সেফটি অফিসার চলন্ত বিমানের ভেতর থেকে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। বিষয়টি শুধুমাত্র বিমানের অভ্যন্তরীণ নীতিমালার (Crew Social Media & Security Protocols) লঙ্ঘন নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক বিমান নিরাপত্তা (ICAO ও IATA নির্দেশিকা) এবং স্পর্শকাতর সামরিক তথ্য প্রকাশ নিষেধাজ্ঞারও লঙ্ঘন।
২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি লন্ডনে ঐ অভিযুক্ত আটক হন মেয়াদোত্তীর্ণ পরিচয় পত্র ব্যবহারের দায়ে ঘটনার দিন বিজি-২০২ (লন্ডন-ঢাকা) ফ্লাইটে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে উক্ত পাইলট প্রয়োজনীয় এয়ারলাইন্স আইডি প্রদানে ব্যর্থ হন।
লন্ডনের ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে বিমানবন্দরে আটকে রাখে। যা আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ নিরাপত্তা নীতিমালার পরিপন্থি। পরবর্তীতে সেই পাইলট দেশে ফেরেন টিকিট কিনে যাত্রী হিসেবে।