দেশপ্রেম ও শৃঙ্খলার নতুন অঙ্গীকার নিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা 

চিতলমারী সদর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বারাশিয়া গ্রামের মোন্তাজ উদ্দিনের সন্তান মেজর আনিসুর রহমান। ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত সাদামাটা এই মানুষটি বর্তমানে উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি নিরাপত্তা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘এলিট ফোর্স’-এর পরিচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

‎১৯৯১ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি থেকে সফলভাবে প্রশিক্ষণ শেষে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার্স কোরে কমিশনড অফিসার হিসেবে যোগ দেন তিনি। দীর্ঘ সামরিক জীবনে তিনি ইএমই সেন্টার, জালালাবাদ, কাদিরাবাদ, জাহানাবাদ স্টেশন সদর দপ্তর এবং যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। প্রশাসনিক কাজ, মানবসম্পদ পরিচালনা ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় তিনি সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। ২০০৯ সালের ৬ মে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

‎সামরিক জীবনের পর করপোরেট জগতেও তিনি সমানভাবে সফল। ইউএস বাংলা গ্রুপের ‘পূর্বাচল আমেরিকান সিটি’র প্রজেক্ট ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একটি বিদেশি ফার্মের সাথে ব্র্যাক বাংলাদেশ রিস্ক অ্যাসেসমেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টে কাজ করেছেন তিনি।

‎বর্ণাঢ্য পেশাগত জীবনের পাশাপাশি এলাকার মানুষের প্রতি নাড়ির টান তাকে সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করেছে। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সভা-সমাবেশে তার সরব উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তৃণমূলের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার প্রার্থিতা নিয়ে ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

‎নিজের প্রার্থিতা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রসঙ্গে মেজর (অব.) মো. আনিসুর রহমান বলেন, সমাজসেবা করতে এবং সবসময় উপজেলাবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে ভালোবাসি বলেই আমি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শুধু উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষই নন, দেশ-বিদেশে অবস্থানরত চিতলমারীর অনেক মানুষ আমাকে এই নির্বাচনে অংশ নিতে অনুপ্রাণিত করেছেন।

‎সচেতন মহলের মতে, একজন শিক্ষিত, সৎ ও দক্ষ সাবেক সেনা কর্মকর্তার জনপ্রতিনিধি হিসেবে এগিয়ে আসা দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক কাঠামোর জন্যই একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। চিতলমারীবাসী এখন যোগ্য নেতৃত্বের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *